সমতার পথে নারীর অগ্রযাত্রা: বাধা নয়, সুযোগ চাই

নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য দূর করতে হলে কেবল আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও বাস্তব পদক্ষেপ।

26

নারীর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও ক্ষমতায়ন একটি সমাজের উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। সমাজে নারীরা প্রতিনিয়ত নানা বাধা ও বৈষম্যের সম্মুখীন হলেও তাদের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নেতৃত্বসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সমান সুযোগ ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য দূর করতে হলে কেবল আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও বাস্তব পদক্ষেপ। নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সামাজিক স্বীকৃতি ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে একটি সমৃদ্ধ ও ন্যায়সঙ্গত সমাজ গড়ে উঠবে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেবল উদযাপনের দিন নয়, বরং এটি নারী অধিকার, মর্যাদা ও সমতার জন্য সচেতনতা তৈরির উপলক্ষ। নারী দিবস সামনে রেখে নারীর চাওয়া-পাওয়া ও প্রত্যাশা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাবনা ও মতামত তুলে ধরা হলো-

তাহসীন নাওয়ার
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

নারী দিবস- এই দুটি শব্দ যেভাবে একটি উদযাপনকে নির্দেশ করে, সেই উদযাপনে এখন আর ঠিক খুশি হওয়া যায় না। অবশ্যই নারীদের অধিকার ও সমতার বিষয়ে এই দিনটি খুবই তাৎপর্যবহ। এই দিনটি একই সঙ্গে যেমন মনে করিয়ে দেয় যুগ যুগ ধরে সমতার পথে একেকটি পদক্ষেপের ইতিহাস, সেই সঙ্গে সামনে এগোতে হবে আরও অনেকখানি পথ- সেই লক্ষ্যও।

স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার প্রতিটি স্তরে নারীদের অংশগ্রহণ ধীরে ধীরে কমলে তা মোটেও কাম্য নয়। এই অংশগ্রহণ যাতে কমে না যায়, মেয়েশিশুরা যেন শিক্ষার প্রতিটি স্তর পার করে আসতে পারে, এমন শিক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। সমতা অর্জনের লক্ষ্যে দেখা স্বপ্নগুলো, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নেওয়া পদক্ষেপগুলো যাতে কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ না থাকে, সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, দক্ষতায় দীক্ষিত এক নতুন প্রজন্ম গড়ে ওঠে যারা নিরাপদ ও স্বাধীন চলাচলের নির্ভরতা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে-এটাই চাওয়া।

এই বিভাগের আরও সংবাদ