কমিউনিটি ভিত্তিক প্রক্রিয়ায় হতে পারে স্টারলিংক ১৫ এমবিপিএস ২১০ টাকায়
এখন সাধারণ মানুষ, দোকানদার এমনকি গ্রামের বাসিন্দারাও এই প্রযুক্তির সুবিধা নিতে পারেন যদি সবাই মিলে উদ্যোগ নেওয়া যায়।
অনেকে মনে করেন, স্টারলিংক ইন্টারনেট শুধু সরকারি অফিস, বড় কোম্পানি বা সিনেমার শুটিংয়ের মতো বিশাল কাজে ব্যবহারের জন্য। বাস্তবে তা নয়।
কমিউনিটি ভিত্তিক সমাধান কি ?
কমিউনিটি ভিত্তিক সমাধান হল একসাথে অনেক ব্যবহারকারী একসাথে সাব নেটের মাধ্যমে ব্যবহার করা। ধরুন, যেমন একজন উদ্যোক্তা স্টারলিংক সেটআপ করলেন এবং একটি এলাকায় ২০–২৫টি দোকান বা বাড়িতে সরবরাহ করলেন ।
তাহলে তিনি চাইলে মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি হিসেবে ১০০–২০০ টাকা করে প্রতি ইউজার থেকে নিতে পারেন।
এভাবে, একজন রিকশাচালকও সহজে ২০০ টাকায় মাসব্যাপী ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারবেন — দোকানপাট বা বাড়ির মতো করেই।
খরচের সহজ হিসাব:
খরচের ধরণ আনুমানিক মূল্য (টাকা)
একবারের সেটআপ ৪৭,০০০ – ৫১,০০০ , মাসিক ইন্টারনেট ফি ৪,২০০ – ৬,০০০
যদি ২০ জন মিলে খরচ ভাগাভাগি করেন:
মোট মাসিক খরচ ধরা যাক = ৪,২০০ টাকা এবং প্রতি জনের খরচ হয় মাসিক = ৪,২০০ ÷ ২০ = মাত্র ২১০ টাকা! যদি ৩০০ এমবিপিএস লাইন হয় তাহলে ৩০০ ÷ ২০ = ১৫ এমবিপিএস স্পিড।
স্টারলিংক টু রাউটার সংযোগ পদ্ধতি:
১. স্টারলিংক ডিশ খোলা আকাশের নিচে এমন স্থানে বসাতে হবে, যেখান থেকে স্যাটেলাইট সিগন্যাল পেতে কোনো বাধা না থাকে।
২. এই ডিশ থেকে একটি তারের মাধ্যমে সংযোগ যাবে স্টারলিংকের পাওয়ার ব্রিক বা মডেমে।
৩. এরপর এই মডেম সংযুক্ত থাকবে একটি ওয়াইফাই রাউটারের সঙ্গে।
৪. রাউটারটি ৫০–২০০ মিটার পর্যন্ত ওয়াইফাই ছড়াতে পারে। চাইলে বড় রেঞ্জের রাউটার অথবা Wi-Fi এক্সটেন্ডার ব্যবহার করে পুরো পাড়া বা গ্রামজুড়ে সংযোগ ছড়িয়ে দেওয়া যাবে অথবা টুইস্টেড পেয়ার কেবল ব্যবহার করে যতদুর খুশি লাইন টেনে নিয়ে রাউটার সেটআপ করা যেতে পারে। বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন আইএসপি থেকে বেশি স্পিড এর লাইন নিয়ে এভাবে ব্যবহার করেন।
Starlink_bypass Mode ব্যবহার করতে হবে, যা স্টারলিংক এ্যাপের ভিতর পাবেন সেটিং এ।
৫. ইউটিউবে স্টারলিংকের সাথে মাইক্রোটিক রাউটের সেটআপ ভিডিও আছে। মিনি আইএসপি হিসাবেও চলাতে পারবেন গ্রামে।
যা মনে রাখা জরুরি:
ডিশ বসানোর জন্য খোলা আকাশের নিচে একটি নির্দিষ্ট জায়গা দরকার, নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকতে হবে, ইউজার সংখ্যা বেশি হলে স্পিড কিছুটা কমতে পারে, তবে সাধারণ ব্যবহারে সমস্যা হয় না, খরচ ভাগাভাগি করার নিয়ম আগেই স্পষ্ট করে নিতে হবে।