সীমান্তের শূন্যরেখায় মায়ের শেষ মুখ দেখলেন মেয়ে

জীবিত অবস্থায় দীর্ঘদিন মায়ের মুখ দেখতে পারেননি মেয়ে জান্নাতুল। দুই দেশের সীমান্তের বেড়াজালে আটকে ছিল মা-মেয়ের দেখা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা। অবশেষে মায়ের মৃত্যুর পর সীমান্তের শূন্যরেখায় শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার সুযোগ পেলেন মেয়ে।

1

মেহেরপুর প্রতিনিধি: জীবিত অবস্থায় দীর্ঘদিন মায়ের মুখ দেখতে পারেননি মেয়ে জান্নাতুল। দুই দেশের সীমান্তের বেড়াজালে আটকে ছিল মা-মেয়ের দেখা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা। অবশেষে মায়ের মৃত্যুর পর সীমান্তের শূন্যরেখায় শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার সুযোগ পেলেন মেয়ে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উদ্যোগে এ সুযোগ তৈরি হয়।

জান্নাতুল মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা ফিজির আলীর স্ত্রী। তাঁর মায়ের বাড়ি ভারতের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার মালিয়াপোতা গ্রামে। মা জায়েরা খাতুন বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মারা যান।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নাজিরাকোনা সীমান্তের ১০৯ নম্বর মেইন পিলারসংলগ্ন শূন্যরেখায় জায়েরা খাতুনের মরদেহ নিয়ে আসা হয়। সেখানে মায়ের শেষ মুখ দেখার সুযোগ পান জান্নাতুল। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় এই শেষ বিদায়ের মুহূর্ত।

এ সময় বিজিবির হাবিলদার মো. শরিফুল ইসলাম এবং বিএসএফের ইন্সপেক্টর এস কে রয়সহ দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মায়ের বাড়ি ও মেয়ের বাড়ির দূরত্ব খুব বেশি না হলেও মাঝখানে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকায় দীর্ঘদিন দেখা হয়নি তাঁদের। মায়ের মৃত্যুর পর শেষবারের মতো মুখ দেখার মধ্য দিয়ে জান্নাতুলের দীর্ঘদিনের অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষার কিছুটা পূরণ হলো।

এই বিভাগের আরও সংবাদ