স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে নারীরাও সমান অংশীদার-জনপ্রশাসন মন্ত্রী

“হার পাওয়ার” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নারী প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ

31

জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন   বলেছেন, বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। দেশের আনাচে কানাচে পৌছেছে ইন্টারনেট সেবা। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সদিচ্ছা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রচেষ্টায়  বাংলাদেশের মানুষ এখন ইন্টারনেটের বহুবিদ ব্যবহার করতে শিখেছে। বিভিন্ন আওটসোর্সিং কাজ করে পয়সা কামানোর রাস্তা তৈরি হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। নারীরাও পিছিয়ে নেই। তাদেরও বিভিন্ন প্রশিক্ষনের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলার কাজ করছে সরকার। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে নারীরাও সমান অংশীদার। রবিরাব (১০ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে “হার পাওয়ার” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নারী প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, যেসব নারীরা প্রশিক্ষন নিয়ে দক্ষ হয়েছেন তারা অনলাইনে বিভিন্ন আউটসোর্সিং এর কাজ করে আয় করতে পারবে। এছাড়াও তারা অন্যদেরকেও প্রশিক্ষন দিয়ে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারবে। আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে।
ল্যাপটপ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সভাপতির বক্তব্যে পলক বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের জন্য স্মার্ট নাগরিক তৈরির কাজ করছি। ঘরে ঘরে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবা পৌছে দেওয়ার জন্য কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রচেষ্টায় প্রতিটি উপজেলায় প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যায়ে “জয় সেট সেন্টার” নির্মান কাজ করছি।
এর আগে স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্ততরের মহাপরিচালক মোস্তফা কামাল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক শামীম হাসান, পুলিশ সুপার এস এম নাজমুল হক (পিপিএম, বিপিএম বার), জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক এম এ খালেক। উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিজানুর রহমান হিরন।
উল্লেখ্য, “হার পাওয়ার” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মেহেরপুর, চুয়াডঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলার ৫শ ৫৫ জন নারী প্রশিক্ষনার্থীদের হাতে বিনামূল্যে ল্যাপটপ প্রদান করা হয়।

তৌহিদুল ইসলাম তুহিন

এই বিভাগের আরও সংবাদ